নিউটন তার বাবার কাছে জীবনের মূল্য
সম্পর্কে জানতে চাইল।

তার বাবা সরাসরি উত্তর
দেওয়ার পরিবর্তে নিউটনের হাতে একটা পাথর
দিয়ে বলল মার্কেটে গিয়ে এটি বিক্রি করতে। যদি
কেউ পাথরটির দাম জিজ্ঞেস করে, তাহলে মুখে
কিছু না বলে দুইটা আঙ্গুল দেখাবে।
নিউটন পাথরটি নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে গেল। এক মহিলা বলল পাথরটির দাম কত? আমি এটি আমার বাগানে রাখতে চাই।
নিউটন মুখে কিছু না বলে দুই আগুল দেখালো।
মহিলাটি বলল দুইশ টাকা? আমি এটি নিব।

নিউটন বাড়িতে ফিরে এসে তার বাবাকে জানালো একজন মহিলা পাথরটি নিতে চায়, দুশত টাকার
বিনিময়ে।
বাবা বলল পাথরটি যাদুঘরে নিয়ে যাও, কেউ কিনতে চাইলে মুখে কিছু না বলে দুই আঙ্গুল দেখাবে।
নিউটন পাথরটি যাদুঘরে নিয়ে যাওয়ার পর একজন পাথরটি কিনতে চাইলো। দাম জিজ্ঞেস করলে নিউটন মুখে কিছু না বলে দুই আঙ্গুল দেখালো।
ঐ মানুষটি বলল দুই হাজার টাকা? আমি এটি নিতে চাই।
নিউটন অবাক হয়ে গেলো। দৌঁড়াতে দৌড়াঁতে

বাড়ি ফিরে তার বাবাকে জানালো।
তার বাবা বলল, আর এক জায়গায় তোমাকে পাথরটি নিয়ে যেতে হবে। আর তা হচ্ছে একটি মূল্যবান পাথরের দোকানে।দোকানের মালিককে পাথরটি দেখাবে এরপর দাম জানতে চাইলে মুখে কিছু না বলে দুই আঙ্গুল দেখাবে।
নিউটন পাথরটি নিয়ে মূল্যবান পাথরের দোকানে
গেলো। দোকানদার দেখে বলল এটি কোথায়
পেয়েছ? এটি পৃথিবীর দুর্লভ এবং মূল্যবান পাথর গুলোর মধ্যে একটা। এটি অবশ্যই আমার দরকার। দাম কত এটির? ছেলেটি মুখে কিছু না বলে দুই আঙ্গুল দেখালো।
দোকানার বলল আমি এটি দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিতে চাই।
নিউটন কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলল।
বাড়িতে এসে তার বাবাকে জানালো।
তার বাবা এবার নিউটনকে বলল, তুমি কি তোমার জীবনের মূল্য বুঝতে পেরেছ?

নিজেকে মূল্যহীন ভেবে সারাজীবন পার করে
দিতে পারি আমরা। মিশতে পারি এমন সব মানুষের সাথে, যাদের কাছে আমাদের জীবনের মূল্য খুব একটা বেশি না। ওরা আমাদের সম্ভাবনাকে হেও করে,ওরা আমাদের মূল্যায়ন করতে পারেননা অথচ সবগুলো মানুষই একটি মূল্যবান পাথরের মত।